গেট খোলেনি খালেদার কার্যালয়ের, ফিরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

ফিরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাফিরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সদ্য প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর মা বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়াকে সমবেদনা জানাতে গুলশানে তার কার্যালয়ে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

তবে কার্যালয়ের গেট না খোলায় মিনিট পাঁচেক অবস্থানের পর প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ফিরে যায়।

শনিবার রাত ৮টা ১৯ মিনিটে গণভবন থেকে রওনা হয়ে রাত ৮টা ৩৫মিনিটে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে পৌঁছায় প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহর।

তবে ভেতর থেকে ফটকে তালা দেওয়া থাকায় প্রধানমন্ত্রী ঢুকতে না পেরে ফের গণভবনে ফিরে যান।

প্রধানমন্ত্রী রওনা দেওয়ার পর পরই বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাস গণমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছেন, খালেদা জিয়াকে ইনজেকশন দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে।

হৃদরোগে আক্রান্ত হলে শনিবার বাংলাদেশ সময় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরাফাত রহমানের মৃত্যু হয়।

স্ত্রী সৈয়দ শামিলা রহমান সিঁথি, দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে নিয়ে কুয়ালালামপুরে একটি বাড়ি ভাড়া করে থাকছিলেন আরাফাত।

২০০৯ সালের মে মাসে শেখ হাসিনার স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুর পর ধানমণ্ডির সুধা সদনে গিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। সে সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সমবেদনা জানান এবং দুই নেত্রীর মধ্যে কিছুক্ষণ কথাও হয়।

এরপর বেশ কয়েকবার একই অনুষ্ঠানে যোগ দিলেও তারা কথা বলেননি।

২০১৩ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের মৃত্যুর পর শোক জানাতে বঙ্গভবনে দুই নেত্রী গিয়েছিলেন। অবশ্য সে সময় কথা হয়নি তাদের মধ্যে।

এছাড়া বিগত কয়েকবছরে একাধিকবার সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে সেনাকুঞ্জে গেলেও কথা বলেননি তারা।

জরুরি অবস্থার সময় গ্রেপ্তার হয়ে এক বছর কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড গিয়েছিলেন আরাফাত।

সেখান থেকে তিনি মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান। অন্যদিকে মুদ্রা পাচার মামলায় বাংলাদেশের আদালতে ২০১১ সালে তার ৬ বছর কারাদণ্ড হয়; তবে বিএনপির দাবি, এই মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

Shortlink:

Q&A

You must be logged in to post a comment Login