রেস্টুরেন্টে মানুষের মাংস !

বর্তমানে প্রতিটি শহরের অলি গলিতে রয়েছে ফাষ্টফুড চেইনশপ। এসব চেইনশপ থেকে আমার অহরহ খাবার গ্রহণ করে থাকি। কিন্তু আমরা কখনো কী ভেবেছি এসব খাবার কতটা পিওর। এ সব রেস্টুরেন্টের খাবার সম্পর্কে অনেক সময় বিভিন্ন মিডিয়ায় আপত্তিকর তথ্য প্রকাশ পায়।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফাষ্টফুড চেইনশপ “ম্যাকডোনাল্ডস” যার প্রতিষ্ঠাতা রেমন্ড ক্রক। ম্যাকডোনাল্ডসে মাত্রাতিরিক্ত ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেডে কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ মাংস সরবরাহ করার অভিযোগ অনেক আগে থেকেই রয়েছে। এবার ম্যাকডোনাল্ডসে পাওয়া গেল মানুষের মাংস।

সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্য ওকলাহোমা‘র ম্যাকডোনাল্ডস মাংসের ফ্যাক্টরির ফ্রিজে মানুষ ও ঘোড়ার মাংস পাওয়া যায়। পুলিশ দেখতে পায় ওই কারখানা থেকে যে সব ট্রাকে করে ম্যাকডোনাল্ডের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে যে মাংস সরবরাহ করা হচ্ছিল তাতেও মানুষের মাংস রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দেশটির প্রায় ৯০% রেস্টুরেন্টে মানুষের মাংস এবং ৬৫% রেস্টুরেন্টে ঘোড়ার মাংস পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে এফবিআই এজেন্ট লয়েড হ্যারিসন হাজলার বলেন, সবচেয়ে ভয়ানক ব্যাপার হচ্ছে ম্যাকডোনাল্ডে শুধু প্রাপ্ত বয়স্কদেরই নয় শিশুদের মাংসও পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে যেসব মানুষের মাংস পাওয়া গেছে এর বেশির ভাগই শিশু কিংবা কিশোর বয়সী মানুষের, এটা সত্যিই ভয়ংকর।

তিনি আরো বলেন, এখন প্রশ্ন হলো ম্যাকডোনাল্ড তার ভোক্তাদের কত বছর ধরে মানুষে মাংস খাওয়াচ্ছে? আর যে সব মানুষের খাওয়াচ্ছে তাদের কোথা থেকে জোগাড় করছে তারা? বিশেষ তারা কোথা থেকে শিশুদেরকে পায়? তাদেরকে যখন কারখানায় আনা হয়েছিল তখন কি বেঁচেছিল?

প্রসঙ্গত, এর আগে একটি অডিও রেকর্ডে ম্যাকডোনাল্ডের একজন কর্মচারীর স্বীকারোক্তি দিয়েছেন যে, ম্যাকডোনাল্ডের বিফ হ্যামবার্গারে মানুষের মাংস ব্যবহার করা হয়।

Shortlink:

Q&A

You must be logged in to post a comment Login